বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের খোকন আলী, চন্দ্রপুর গ্রামের মুকুল হোসেন এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের আসাদুল হক। নিহত আলম আলী উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আলমের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩১ জুলাই বলিয়ারপুর গ্রামের একটি পাটখেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মর্গে থাকা অবস্থায় লাশ শনাক্ত করেন আলম আলীর পরিবারের সদস্যরা। ওই ঘটনায় ১ আগস্ট সদর থানার পুলিশ বাদী হয়ে সাত-আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শওকত আলী অধিকতর তদন্ত করে ২০০৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আলমের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ দুপুরে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি কাজী শহিদ। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামরুল ইসলাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন