বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এতে বঙ্গবন্ধু, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা–কর্মীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা অভিযোগ করেন। এ নিয়ে এক সপ্তাহ ধরেই মহানগর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করছেন নেতা–কর্মীরা। এর মধ্যে শনিবার আবারও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বিকেল চারটা থেকেই ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী স্টেশন রোড, মিলগেট, চেরাগ আলী, কলেজ গেট ও হোসেন মার্কেট এলাকায় একত্র হতে থাকেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মীরা। এ সময় তাঁরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। একপর্যায়ে টঙ্গীর স্টেশন রোড এলাকা ও চেরাগ আলী এলাকায় টায়ারে আগুন দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে মেয়রের বহিষ্কার দাবি করেন।

বিকেল পাঁচটায় স্টেশন রোড এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের দুই পাশেই টায়ারে আগুন দিয়েছেন নেতা–কর্মীরা। আগুনের চারপাশে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন তাঁরা। এতে সড়কের দুই পাশেই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পুলিশও তাঁদের চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে নির্বিকার।

দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকায় বেকায়দায় পড়েছেন হাজারো মানুষ। তাঁরা একপর্যায়ে উপায়ান্তর না পেয়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছেন গন্তব্যে। কেউ হেঁটে, কেউবা চেষ্টা করছেন রিকশা–অটোরিকশায় যেতে।

নগরের বোর্ডবাজার এলাকার নুরুল আমিন হাসান ফিরছিলেন এয়ারপোর্ট থেকে। রাজধানীর আবদুল্লাহপুরে আসতেই আটকা পড়েন তিনি। যান বন্ধ থাকায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই হাঁটা শুরু করেন তিনি। স্টেশন রোড এলাকায় কথা হলে তিনি বলেন, একটা জরুরি কাজে সন্ধ্যার আগে বাসায় যেতে হবে। কিন্তু গাড়ি বন্ধ থাকায় হেঁটেই যেতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. ইলতুৎমিশ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিকেল চারটার কিছু পর থেকে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। পরবর্তী সময়ে আমরা বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সড়ক থেকে উঠিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।’

এদিকে সড়ক অবরোধ বা বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন