বিজ্ঞাপন

বারান্দায় ফেলে রাখা টিউবে দেখা যায়, একটিরও মেয়াদ নেই। টিউবগুলোতে তৈরির তারিখ দেওয়া আছে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ রয়েছে ২০২১ সালের জুন মাস। এ নিয়ে নমুনা সংগ্রহের কাজে নিয়জিত ব্যক্তিরা কিছু বলতে পারেননি।

তবে পাবনার সিভিল সার্জন মনিসর চৌধুরী বলছেন, মূলত টিউবের কোনো মেয়াদ থাকে না। এই টিউবে কেন মেয়াদ দেওয়া, সেটা তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

নমুনা দিতে আসা ব্যক্তিদের ভাষ্য, নমুনা দিতে হলে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে লাইন ধরে দঁড়িয়ে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। এরপর সেখান থেকে একটি টিউব ধরিয়ে দিয়ে পাঠানো হচ্ছে তাড়াশ ভবনে। দ্বিতীয়বার আবার লাইনে দাঁড়িয়ে নমুনা দিতে হচ্ছে। খোলা আকাশের নিচেই কোনোমতে মুখ থেকে একটু লালা নিয়ে রাখা হচ্ছে টিউবে। সেটিও আবার ফেলে রাখা হচ্ছে বারান্দার মেঝেতে।

নমুনা দিতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক ফারুক হোসেন চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, খোলা পরিবেশে যেভাবে নমুনা সংগ্রহ চলছে, তাতে করোনার ঝুঁকি আরও বাড়ছে। এ ছাড়া নমুনা সংগ্রহের প্রতিটি পদে পদে অব্যবস্থাপনা চলছে। একটি জেলা শহরে করোনা নিয়ে এমন অব্যবস্থাপনা সত্যি কষ্টকর।

অব্যবস্থাপনা নিয়ে সিভিল সার্জন মনিসর চৌধুরী বলেন, ‘পাবনা মেডিকেল কলেজে পিসিআর ল্যাব ও নমুনা সংগ্রহর জন্য নির্ধারিত বুথ তৈরির কাজ চলছে। আশা করছি, খুব শিগগির সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন