default-image

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনায় শৈবালী রায় (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে ছেলে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে মোংলা পৌরসভার বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বৃদ্ধা শৈবালী রায়ের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই বৃদ্ধার ছেলে সুব্রত রায় (৪০) ও ছেলের স্ত্রী সুচিত্রা বিশ্বাসকে (২২) গ্রেপ্তার। তাঁদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সুব্রত মোংলা পৌরসভার বটতলা এলাকার ক্ষিতীশ রায়ের ছেলে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, কয়েক বছর আগে মোংলা পৌরসভার বটতলা এলাকার সুব্রত রায় সুচিত্রা বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে সুচিত্রার সঙ্গে তাঁর শাশুড়ি শৈবালীর তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া–বিবাদ হতে শুরু করে। প্রায়ই শাশুড়ি–বউয়ের এই বিবাদ চলত।

বিজ্ঞাপন

ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী আরও বলেন, মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে গরুর গোবর দিয়ে লাকড়ি (জ্বালানি) বানানোকে কেন্দ্র করে শাশুড়ির সঙ্গে পুত্রবধূ সুচিত্রার কথা–কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় বাড়িতে থাকা ছেলে সুব্রত রায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী সুচিত্রার পক্ষ নিয়ে তাঁর মাকে কোদাল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন। এতে সুব্রতর মা শৈবালী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাঁর মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শৈবালীর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। পরে পুলিশ গিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সুব্রত ও তাঁর স্ত্রী সুচিত্রাকে গ্রেপ্তার করে এবং শৈবালীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তাঁদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন