মোহাম্মদ মুসা আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে মোংলা বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। এই বন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারকদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। বন্দরে আমদানি করা গাড়ির পার্কিং ক্ষমতা ইতিমধ্যে ১৫ হাজারে উন্নীত হয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভেসেল নির্মাণ শেষ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর এম সামছুল আজীজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে খুলনা শিপইয়ার্ডের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য নির্মিতব্য সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভেসেল একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাহাজ, যাতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজিত হবে। জাহাজটি জার্মানির প্রতিষ্ঠান টেকনোলজি সার্ভিসেস জিএমবিএইচের নকশায় নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনুসন্ধান ও উদ্ধার এবং সামুদ্রিক নজরদারির কাজ সম্পন্ন করা যাবে। জাহাজটির দৈর্ঘ্য ২৭ দশমিক ৭৫ মিটার, প্রস্থ ৬ দশমিক ২০ মিটার, গভীরতা ৩ দশমিক ৪২ মিটার, ড্রাফট ১ দশমিক ৮৫ মিটার। জাহাজটির সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ২৫ নটিক্যাল মাইল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন