বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সাইফুর রহমান অডিটরিয়ামে গত ৩১ ডিসেম্বর নাট্যোৎসব শুরু হয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ পুলিশ থিয়েটারের ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটকটি মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এ উৎসব।
উৎসবের শেষ দিন উপলক্ষে নাট্যমঞ্চে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ নেছার আহমদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন। এতে বক্তব্য দেন উৎসব উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানিয়া সুলতানা। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথিসহ নাট্যোৎসব উদ্‌যাপনের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি সাংসদ নেছার আহমদ বলেন, নাটক, সাংস্কৃতিক তৎপরতা মুক্ত মন তৈরি করে। মুক্ত মন তৈরিতে নাট্যোৎসব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। নাট্যোৎসবের এই ধারাবাহিকতা সবাই মিলে অব্যাহত রাখতে হবে।

মার্চে আরও একটি নাট্যোৎসবের আয়োজন করা হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, ‘এই কয়েক দিন অনেকেই সপরিবার নাটক দেখতে এসেছিলেন। হলভর্তি দর্শক ছিল। এটা আমাদের আয়োজনকে সার্থক করেছে। এর ইতিবাচক প্রভাব থাকবে অনেক দিন।’

সাত দিনের এ নাট্যোৎসবে ঢাকার মহাকাল নাট্য সম্প্রদায় ‘শ্রাবণ ট্র্যাজেডি’, লোক নাট্যদল ‘কঞ্জুস’, প্রাচ্যনাট ‘কইন্যা’, প্রাঙ্গণেমোর হাছনজানের রাজা’, শব্দ নাট্যচর্চা ‘চম্পাবতী’ এবং হবিগঞ্জের জীবন সংকেত ‘জ্যোতিসংহিতা’ নাটক মঞ্চস্থ করে।

নাটকের পাশাপাশি উৎসবের প্রতিদিন বিকেলে অডিটরিয়াম প্রাঙ্গণের উন্মুক্ত মঞ্চে বাউল গানসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন। অডিটরিয়াম প্রাঙ্গণকে সাজানো হয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের নানা ঘটনাবহুল আলোকচিত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ছবি দিয়ে। এখানেই আয়োজন করা হয় বইমেলা। ছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী। সবকিছু মিলিয়ে বহু রঙের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটা উৎসবের আবহ ছিল এই সাত দিনের আয়োজনে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন