বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‍্যাব বলেছে, ব্যবসা–বাণিজ্য ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাজমুলের সঙ্গে স্থানীয় আবদুল আহাদ নাইছ মিয়ার সন্তানদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। কিছুদিন আগেও একটি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় নাজমুলের লোকজনের হামলায় আহাদ নাইছ মিয়ার ছেলে জুয়েলের পা ভেঙে যায়। গ্রেপ্তার বাবর ও রাসেল এবং মামলার আসামি তোফায়েল মিয়া ও জুয়েল পরস্পর ভাই।

র‍্যাবের ভাষ্যমতে, মামলার প্রধান আসামি তোফাজ্জলের শ্বশুরের সঙ্গে নিহত ব্যক্তির ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ছিল। ভাইয়ের ওপর হামলা ও শ্বশুরের সঙ্গে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের প্রতিশোধ নিতেই ৩১ অক্টোবর নাজমুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তোফায়েল ও বাবর। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন আসামিরা মৌলভীবাজার সদরের জগন্নাথপুরে একত্র হয়ে একটি ভাড়া মাইক্রোবাসে করে চৈত্রঘাট বাজারে আসেন। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই ব্যবসায়ী নেতার ওপর হামলা করা হয়।

র‍্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

৩১ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের চৈত্রঘাট বাজার এলাকায় একদল অস্ত্রধারী ওই ব্যবসায়ী নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। প্রকাশ্য দিবালোকে রামদা ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে হত্যার ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বড় ভাই শামসুল হক কমলগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে ২০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, নাজমুল হাসান রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস থেকে এক অস্ত্রধারী নেমে তাঁকে ধাওয়া করেন। নাজমুল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু রাস্তায় পড়ে যান। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন সেই অস্ত্রধারী। তাঁর সঙ্গে হামলায় যোগ দেন আরও আটজন। এই নয়জন মিলে ১ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ধরে তাঁকে কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে হেঁটে বীরদর্পে পালিয়ে যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন