বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পৌরসভা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের প্রধান ও অলিগলির বিভিন্ন সড়ক ভেঙেচুরে গিয়েছিল। পৌর কর্তৃপক্ষ সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে কার্যক্রম শিথিল হয়ে পড়ে। পাথরের দাম বৃদ্ধি পাওয়া এবং বর্ষাকাল হওয়ায় সংস্কারকাজ পিছিয়ে পড়ে। এখন সবকিছু উন্মুক্ত ও বর্ষা শেষের দিকে চলে আসায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সংস্কারকাজ শুরু হওয়া সড়কগুলোর মধ্যে আছে সৈয়দ মুজতবা আলী রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ, সাইফুর রহমান (সেন্ট্রাল রোড) সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ, পোস্ট অফিস রাস্তা ও বাজার স্কুল রাস্তার উন্নয়নকাজ, খেয়াঘাট রোড এবং কুদরত উল্লাহ রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ, পূর্ব ও পশ্চিম গির্জাপাড়া রাস্তার উন্নয়নকাজ, বড়হাট পুরোনো গ্যাস অফিস বাই লেন রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ, বনবীথি মোস্তফা রোড ও ড্রেনের কাজ, সৈয়ারপুর কাউন্সিলর পার্থ সারথী পালের বাড়ির সামনের রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ, শাহ মোস্তফা কলেজ লিংক রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ (সরকারি ফিশারি অফিসের দক্ষিণ পাশ), ধরকাপন সাবেক পৌর চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান পুতুল মিয়া সাহেবের বাড়ির রোড ও ড্রেনের কাজ, কুসুমবাগ রাস্তার উন্নয়নকাজ এবং বনানী এলাকার টিবি হাসপাতাল লিংক (প্রফেসর আবদুল খালিক সাহেবের বাড়ির সামনে) রোড ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ। এই ১২ সড়কের সংস্কারকাজে ব্যয় হবে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

মেয়র মো. ফজলুর রহমান বলেন, মুজতবা আলী এবং পূর্ব ও পশ্চিম গির্জাপাড়া সড়ক দিয়ে সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। বৃষ্টি কমে এলেই সেন্ট্রাল রোডে (সাইফুর) বিটুমিনের কাজ শুরু হবে। ১২টি রাস্তার বিভিন্ন সড়কে এখন গর্ত ভরাট ও ড্রেনের কাজ চলছে। ডিসেম্বরের মধ্যে অনেকগুলো সড়কের কাজ শেষ হয়ে যাবে। মেয়র বলেন, এর বাইরে জগন্নাথপুরে ডাম্পিং স্টেশন ও শান্তিবাগ এলাকায় মনু নদের পাড়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। কিছুদিনের মধ্যে কোদালীছড়ার দুই পাড়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন