বিজ্ঞাপন

নির্মাণ প্রকল্প সূত্রে আরও জানা গেছে, গত তিন বছরে এই প্রকল্পের সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে একটি প্রশাসনিক ভবনসহ একতলা চারটি ভবন নির্মাণের আংশিক কাজ শেষ হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন এসব ভবন নির্মাণে নিম্নমানের রড, ইট, বালু, পাথর ও সিমেন্ট ব্যবহারের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান শাহরিয়ার সেখানে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়ে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ফয়েজুর রহমান বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন এই কাজের বিষয়ে কাউকে কোনো কিছু বলে না। প্রথম দিকে কাজের তথ্যসংবলিত একটি সাইনবোর্ড টাঙানো থাকলেও পরে সেটি ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা নিম্নমানের কাজের বিষয়ে এখানে তদারকিতে থাকা প্রকৌশলীকে একাধিকবার বলেছি। কিন্তু কোনো ফল হয়নি।’

সুনামগঞ্জ জেলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আলাউর রহমান বলেন, ‘পাঁচ মাসের কাজ তিন বছরেও কেন শেষ হয়নি, তা বুঝতে পারছি না। কাজের অনিয়মের বিষয়ে আমরাও বিভিন্ন সময়ে কথা বলেছি। এই অবতরণ কেন্দ্রের কাজ শেষ হলে সুনামগঞ্জের মৎস্যজীবীরা উপকৃত হবেন।’

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা সীমা রানী বিশ্বাস বলেন, ‘এ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। মন্ত্রণালয় থেকে এই কাজ হচ্ছে। তবে এটি হলে সুনামগঞ্জে মাছ ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্য বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের মালিক বায়েজিদ আহমদ খান কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করে বলেন, নানা কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায়নি। তাই কাজের সময় বেড়েছে। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত কাজ শেষ করার সময় আছে।

ওই কেন্দ্রের নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের প্রকৌশলী রায়হান মোল্লা বলেন, প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন