default-image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সুমাইয়া বেগমের মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। শনিবার সকালে নাটোর শহরের বলারিপাড়া মহল্লায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সুষ্ঠু বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান সুমাইয়ার মা।

বিজ্ঞাপন

গত বুধবার দুপুরে সুমাইয়া বেগমের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ দায়রা জজ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তাতে সুমাইয়া ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন মর্মে উল্লেখ করা হয়। এ কারণে আদালত এই মামলায় কারাগারে থাকা তাঁর শ্বশুর জাকির হোসেন ও শাশুড়ি সৈয়দা মালেকা বেগমকে জামিন দেন। স্বামীর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ প্রায় দুই মাস আগে পুলিশের হাতে এলেও সে সম্পর্কে কিছুই জানতেন না তাঁর পরিবার। বুধবার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞাপন
default-image

বলারিপাড়া মহল্লার প্রধান সড়কে শনিবার প্রায় এক ঘণ্টা ধরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সুমাইয়া বেগমের স্বজনদের পাশাপাশি এলাকার সর্বস্তরের নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় বক্তব্য দেন সুমাইয়ার মা নুজহাত সুলতানা। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। সুমাইয়ার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। এ কারণে তাঁরা আমার মেয়ের মৃতদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে গিয়েছিলেন।’ এ ব্যাপারে হত্যা মামলা হলে আসামিরা প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন তাঁদের পক্ষে নিয়েছেন অভিযোগ করে নুজহাত সুলতানা আরও বলেন, ‘আমি আমার মেয়ের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি করছি।’

বিজ্ঞাপন

২২ জুন রাতে নাটোর সদর উপজেলার হরিশপুর বাগানবাড়ি এলাকায় স্বামী মোস্তাক হোসাইনের বাড়ি থেকে সুমাইয়ার মৃতদেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যান স্বামীর বাড়ির লোকজন। সুমাইয়া নাটোর শহরের হাজরা নাটোর এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মন্তব্য পড়ুন 0