টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া গ্রাম থেকে পরিবার নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নানে এসেছেন রিনা রানী দেব। তিনি বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর অষ্টমী স্নান সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তাঁরা টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। এখানে আসার পর অনেক স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গেও দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিমল পাল বলেন, করোনার নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দুই বছর অষ্টমী স্নানে তেমন কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছিল না। তবে এবার অষ্টমী স্নান আবার আগের রূপে ফিরেছে দেখে ভালো লাগছে। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও পুণ্যার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থাও ভালো।

default-image

এদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে শিশুদের জন্য মাটি দিয়ে তৈরি নানা ধরনের খেলনার পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। মাটির ব্যাংক, হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল, পালকিসহ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলনাসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে মেলায়। অষ্টমী স্নানে বেড়াতে আসা নারী ও শিশুরা মূলত এসব খেলনার দোকান ঘিরে ভিড় করেছেন।

অষ্টমী স্নান উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কাচারিঘাটে পুণ্যার্থীদের জন্য বিশেষ সেবা চালু করা হয়েছে। স্নান শেষে পোশাক পরিবর্তনের জন্য ছাউনি করা হয়েছে। নদ খননের কারণে বিভিন্ন স্থানে চোরাবালি বা নদীর গভীরতা বেশি থাকতে পারে—এমন শঙ্কায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় নিশ্চিত করতে পুলিশের বাড়তি সতর্কতা নিয়েছেন।

প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পাপমোচনের আশায় ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করতে আসেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন