বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিপিডিএমএস সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে জানা যায়, গত ১৪ দিনে ময়মনসিংহ মহানগরীতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডে গত দুই সপ্তাহে ৩২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া একই সময়ে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৪ জন এবং ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ২০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সফটওয়্যারের মাধ্যমে আরও জানা যায়, এলাকাভিত্তিক আক্রান্তের মধ্যে মহানগরীর আকুয়ায় ৩১ জন, চরপাড়ায় ২৯, সানকিপাড়ায় ২৭ ও নতুন বাজার এলাকায় ২৩ জন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন।

ডিজিটাল তথ্যভান্ডার থেকে ডিজিটাল ম্যাপিং পদ্ধতিতে অধিক করোনায় আক্রান্ত এলাকা সহজে চিহ্নিত করে উক্ত এলাকায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজতর হয়েছে। এ ব্যবস্থা আগামী দিনগুলোতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মোহা. আহমার উজ্জামান, পুলিশ সুপার

এই তথ্যের ভিত্তিতে ওই তিন এলাকা ছাড়াও মহানগরীর মাসকান্দা, ভাটিকাশর, কৃষ্টপুর, কালীবাড়ি, কেওয়াটখালীসহ বেশ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবারে এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসনিকভাবে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে এবং সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী লকডাউন কার্যকরে কঠোর নজরদারি রাখছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ময়মনসিংহ মহানগরীতে করোনার অধিক সংক্রমণ আছে, এমন এলাকায় অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে ব্যানার টানানো হয়েছে। সেসব এলাকার সবাইকে লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ মেনে চলার জন্য ও সেসব এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহা. আহমার উজ্জামান বলেন, বিপিডিএমএস সফটওয়্যার ডিজিটাল তথ্যভান্ডার জেলার কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ডিজিটাল তথ্যভান্ডার থেকে ডিজিটাল ম্যাপিং পদ্ধতিতে অধিক করোনায় আক্রান্ত এলাকা সহজে চিহ্নিত করে উক্ত এলাকায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজতর হয়েছে। এ ব্যবস্থা আগামী দিনগুলোতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন