সংবাদ সম্মেলনে ময়মনসিংহ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, নিহত শরীফ ও মামলার আসামিরা একসঙ্গে ময়মনসিংহ নগরের চরপাড়া এলাকার ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান থেকে সাপ্তাহিক চাঁদা আদায় করতেন। সম্প্রতি শরীফ চৌধুরী ওই দল থেকে বেরিয়ে পৃথকভাবে চাঁদাবাজি শুরু করেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা শরীফকে অনেক বুঝিয়েও পৃথক দল করা থেকে ফেরাতে পারেননি। এ ক্ষোভ থেকেই শরীফকে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, চার আসামিসহ পাঁচজন মিলে এ হত্যার পরিকল্পনা করেন। বুধবার দিবাগত রাতে শরীফের ওপর তাঁরা বিভিন্নভাবে নজর রাখছিলেন। তাঁরা আগে থেকেই শরীফের বাড়ি ফেরার পথে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে শরীফকে একা পেয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে তাঁরা পালিয়ে যান।

এদিকে গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে আরিফুজ্জামানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ গ্রাম থেকে শরীফ আহমেদকে হত্যায় ব্যবহৃত একাধিক চাকু উদ্ধার করে পিবিআই।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগির জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আসামিরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। তবে এর পেছনে আরও কোনো কারণ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিদের তথ্য অনুয়ায়ী, এ হত্যাকাণ্ডে আরও দুজন জড়িত। ওই দুজনকেও গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন