বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে বৃদ্ধ মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে কুলসুম বেগম সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। তাঁর বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়। কিন্তু পরিবহন ধর্মঘটের খবর না জেনেই সকালে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন তিনি। সকাল পৌনে ১০টায় ময়মনসিংহের পাটগুদাম বাস টার্মিনালে এসে জানলেন, বাস চলাচল বন্ধ।

আজ শনিবার সকালে ময়মনসিংহের পাটগুদাম বাস টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কুলসুম বেগমের মতো অনেকেই ধর্মঘটের খবর না জেনে বাড়ি থেকে বের হয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন। আবার অনেকে ধর্মঘটের খবর জানলেও কাজের তাগিদে বাধ্য হয়ে বাইরে বেরিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে পাটগুদাম আসা মানুষ বিকল্প উপায়ে ঢাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এ সুযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা ইচ্ছেমতো ভাড়া হাঁকছেন।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাটগুদাম থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। বাসে এ পথের সর্বোচ্চ ভাড়া ১৫০ টাকা। আবার ভালুকা পর্যন্ত ১০০ টাকা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। ময়মনসিংহ থেকে ভালুকা পর্যন্ত বাসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৫০ টাকা।

default-image

অটোরিকশাচালক আবু সাঈদ বলেন, সাধারণত ময়মনসিংহ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সিএনজি বা অটোরিকশা চলে না। বাস বন্ধ থাকায় এখন বড় ট্রিপ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু যাওয়ার পথে কয়েকটি স্থানে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে চলার কারণেই তাঁরা ভাড়া বেশি চাইছেন।

ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল শুক্রবার থেকেই চলছে পরিবহন ধর্মঘট। পরিবহনমালিক ও শ্রমিকদের দাবি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাঁদের ব্যবসা লোকসানে পড়তে পারেন। এমন শঙ্কা থেকেই দাম কমানোর দাবিতে চলছে ধর্মঘট।

ময়মনসিংহ জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সম্পাদক সোমনাথ সাহা বলেন, লিটারে ১৫ টাকা মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহনব্যবসা লোকসানে পড়বে মনে করছেন পরিবহনমালিকেরা। ফলে কেন্দ্রের নির্দেশে ময়মনসিংহেও পরিবহন ধর্মঘট চলছে। কেন্দ্রের নির্দেশেই তা প্রত্যাহার হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন