বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রকিবুল ইসলাম তালুকদার জানান, খননের পর পলি (সিল) জমে কয়েকটি স্থানে চর জেগেছে। খননের আগে ব্রহ্মপুত্র নদ ছিল মরা। মরা নদে খননকাজ হলে কিছু কিছু স্থানে পলি জমতে পারে, এটির বৈজ্ঞানিক যুক্তি আছে।

রকিবুল ইসলাম জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের ময়মনসিংহ, জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার মোট ২২৭ কিলোমিটার অংশে খননকাজ হবে। ইতিমধ্যে ১৬৩ কিলোমিটার অংশে খননকাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলার ৯০ কিলোমিটার অংশে ব্রহ্মপুত্র নদের খননকাজ হয়েছে। এই ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে ময়মনসিংহ শহরের কাছারিঘাট এলাকা, গফরগাঁও উপজেলার কিছু স্থানসহ মোট ৭ কিলোমিটার অংশে এমন পলি জমেছে। খনন হওয়া বাকি অংশে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ রয়েছে।

সরকারি অর্থায়নে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র নদের ময়মনসিংহ, জামালাপুর ও কিশোরগঞ্জ জেলার মোট ২২৭ কিলোমিটার অংশ খনন করবে। এ খননের জন্য বরাদ্দ ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় নদের ৩০০ ফুট প্রস্থ ধরে খননকাজ হবে।

মতবিনিময় সভায় খনন প্রকল্পের পরিচালক রকিবুল ইসলাম তালুকদার ছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের দখলদারদের তালিকা প্রকাশ করবে খনন প্রকল্প। খননের প্রয়োজনে ওই সব অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হবে। পরিচালক আরও বলেন, খনন প্রকল্পের ব্যয় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। তবে করোনার কারণে একসঙ্গে বেশি টাকা পাওয়ার সুযোগ নেই। ৫ বছরের প্রকল্পের ৩ বছর হতে চললেও এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে ২৮৯ কোটি টাকা। তবে আগামী বছর থেকে বেশি করে টাকা পাওয়া যাবে। তখন খননকাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

ব্রহ্মপুত্র নদ ছাড়াও আগামী ২২ বছরের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের সব নদ–নদীই খনন করা হবে বলেও জানান প্রকল্প পরিচালক। এর মধ্যে ময়মনসিংহের সুতিয়া, শেরপুরের ঝিনাই নদ ও বংশী নদীর কথা উল্লেখ করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন