বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউএনও মনদীপ ঘরাই বলেন, ‘শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এক ব্যক্তি ময়লার স্থানটির খবর আমাকে ট্যাগ করেন। জেলা প্রশাসক স্যারও বিষয়টি জানতে পারেন। সরেজমিন দেখতে আমি ও জেলা প্রশাসনের এনডিসি যাই। পালং মডেল থানার পুলিশ সদস্য, পৌর কর্তৃপক্ষ ও বিডি ক্লিনের সদস্যদের সহযোগিতায় নোংরা জায়গা এখন দৃষ্টিনন্দন বাগানে পরিণত হয়েছে।’

প্রশাসনের এই উদ্যোগ স্থানীয় লোকজনের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। অনেকই প্রশংসা করেছেন এ উদ্যোগের। হৃদয়ে শরীয়তপুর নামের একটি ফেসবুক পেজে এ উদ্যোগের প্রশংসা করে পোস্ট দিয়েছেন।

বিডি ক্লিন শরীয়তপুরের সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ইউএনও মুঠোফোনে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের ১০ সদস্য নিয়ে চলে আসি। সবাই মিলে শুরু করি পরিচ্ছন্নতা অভিযান। শহরের যেখানেই এমন খবর পাব, সেখানেই আবর্জনা পরিষ্কার করতে এগিয়ে যাব।’

পালং মডেল থানার ওসি আসলাম উদ্দিন বলেন, ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোনো স্থান না থাকায় থানার সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ময়লা ফেলা হতো। পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রতিদিন ওই ময়লা নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্গন্ধে ভোগান্তি পোহাতে হতো। এখন স্থানটিতে ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন