default-image

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, ‘যত দিন না টিকা আসছে, তত দিন মাস্ককেই টিকা মনে করতে হবে। মাস্কের কোনো বিকল্প নেই। এটা বোঝা যাচ্ছে না যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে, নাকি প্রথম ঢেউ চলমান রয়েছে। আমরা কোটি কোটি মানুষকে টেলিমেডিসিন দিয়েছি। আমাদের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।’

আজ শনিবার বিকেলে রাজশাহী সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মো. আবদুল মান্নান এসব কথা বলেন। তিনি চিকিৎসকদের সততা, দেশপ্রেম, মানবতা ও আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এর বাইরে কিছু নেই। একজন রোগীও যেন অবহেলায় মারা না যান। সচিব বলেন, ‘আমরা শুধু শিরোনাম আর উপসংহার পড়েই রেখে দিই। ভেতরে ঢুকতে চাই না। সমস্যার ভেতরে ঢোকার মতো আন্তরিকতা চাই।’

সচিব অতীতের রাজশাহী শহরের ভাঙাচোরা রাস্তার স্মৃতিচারণা করে বলেন, এই শহর এখন দেশের মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারটিও কোভিড মোকাবিলায় ভূমিকা রেখেছে। তার কারণ, ধুলাবালুর মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়ায়।
বিজ্ঞাপন

বগুড়ার চেয়ে রাজশাহীতে কোভিড–১৯ রোগে মৃত্যুর সংখ্যা কম উল্লেখ করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বলেন, ‘রাজশাহীতে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মারা গেছেন ৫১ জন। পক্ষান্তরে বগুড়ায় মারা গেছেন ২০৭ জন। বগুড়ার চেয়ে রাজশাহী শহরে কম মানুষ বাস করেন না। এখানকার চেয়ে বগুড়ায় দেড় শর বেশি লোক বেশি মারা গেছেন। কোভিড মোকাবিলায় রাজশাহী শহরের পরিচ্ছন্নতার ভূমিকা রয়েছে।’ সচিব অতীতের রাজশাহী শহরের ভাঙাচোরা রাস্তার স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘এই শহর এখন দেশের মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারটিও কোভিড মোকাবিলায় ভূমিকা রেখেছে। তার কারণ, ধুলাবালুর মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়ায়।’

মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক গোপেন্দ্রনাথ আচার্য বিভাগের কোভিড-১৯ পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলম, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, সিভিল সার্জন মোহা. এনামুল হক প্রমুখ।

মন্তব্য করুন