বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথমে নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রেখে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বুধবার রাতে তাঁকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করে চিকিৎসা দিচ্ছেন। ১২ দিন আগে জন্ম নেওয়া তাঁর যমজ দুই সন্তান এখন দুধের জন্য কাঁদছে।

রিনার স্বামী সুফি মিয়া বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ, কীভাবে স্ত্রী ও দুই যমজ সন্তানকে বাঁচাব, বুঝে উঠতে পারছি না।’

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে ওই দম্পতির বাড়ি। গত বছরের ২ আগস্ট তাঁদের বিয়ে হয়। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে রিনার স্বামী সুফি মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘চিকিৎসকেরা বলেছেন আমার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নিতে হতে পারে। এ জন্য অনেক টাকার দরকার। আমি গরিব মানুষ, কীভাবে স্ত্রী ও দুই যমজ সন্তানকে বাঁচাব, বুঝে উঠতে পারছি না।’

রিনা বেগমের বোন সৈয়দা শাবানা বেগম বলেন, ‘আমরা তাঁর ফুটফুটে দুই যমজ সন্তান নিয়ে বিপদে রয়েছি। মায়ের দুধের জন্য শিশুরা শুধু কাঁদছে। কীভাবে তাদের সামলাব, বুঝতে পারছি না। আমাদের খালা সৈয়দ শাহেনা বেগম ও শামীনা বেগম শিশু দুটির দেখভাল করছেন।’

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সায়েকুল ইসলাম বলেন, করোনায় আক্রান্ত মা সৈয়দ রিনা বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছিল। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাঁকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন