যমুনা নদীতে পানি বাড়ায় জেলার কাজীপুর, সদর, চৌহালী, বেলকুচি ও শাহজাদপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। ইতিমধ্যে জেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে। ইতিমধ্যে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ায় কাঁচা পাট, তিল, কাউন, বাদাম, সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল তলিয়ে গেছে।

পাউবো সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে আরও তিন দিন। চৌহালী ও শাহজাদপুরে যমুনার তীরে ভাঙন রোধে কাজ করছে পাউবো।

default-image

পানি বাড়ায় গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে শাহজাদপুরের রাউতারা এলাকায় প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধ ভেঙে গেছে। প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। একই সঙ্গে উপজেলার খুকনী ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ গ্রাম, কৈজুরি ইউনিয়নের পাচিল ও চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নও নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ এলাকার অন্তত ১৫টি বসতভিটাসহ ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে ভাঙনকবলিত এলাকায় ৪০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙন রোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বন্যার্তদের জন্য ইতিমধ্যে ৯১১ মেট্রিক টন চাল, ২০ লাখ টাকা ও ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এগুলো বিতরণের জন্য কাজীপুর, সদর, চৌহালী, বেলকুচি ও শাহজাদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন