বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিস্ফোরণে তিনি গুরুতর আহত হন। অভয়নগর থানা-পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে যশোর এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি পুলিশ পাহারায় ছিলেন।

আইয়ুব আলী আরও বলেন, গতকাল দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে শফিকুল ইসলাম মারা যান। এর আগেই অভয়নগর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। তিনি বলেন, বোমা বিস্ফারণের ঘটনায় শফিকুলের স্ত্রীকে অভয়নগর থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম উপজেলার রাজঘাট গ্রামের বাসিন্দা। বিস্ফোরণে তাঁর বুক, চোখ, মুখমণ্ডল, এক হাত ও দুই পা জখম হয়। বোমা বিস্ফোরণে ওই ঘরের টিনের চাল উড়ে যায় এবং দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি রামদা উদ্ধার করে।
এদিকে প্রথম আলোর যশোর প্রতিনিধি জানান, শফিকুল ইসলাম নোয়াপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামানের সমর্থক। ২০ সেপ্টেম্বর পৌরসভাটিতে নির্বাচন হওয়ার কথা। জানা গেছে, সোমবার ওই বিস্ফোরণের ঘটনার পরপরই কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আসাদুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ।

পুলিশ বলেছে, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে এর বাইরে বিস্তারিত জানায়নি তারা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, শফিকুল ইসলামের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন