বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্ক্সবাদী) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির, যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা সিপিবির সভাপতি আবুল হোসেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারাজি আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সুকুমার দাস, সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, আইডিইবি যশোরের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব জিল্লুর রহমান।

বক্তারা বলেন, ২০১১ সালে যশোর মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হলেও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব ছিল। কিন্তু এক দশকেও সেই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারণে একদিকে এই কলেজের শিক্ষার্থীরা অত্যাধুনিক হাসপাতালে হাতে–কলমে শিক্ষা গ্রহণ থেকে অনেকটা বঞ্চিত হয়েছেন; অন্যদিকে যশোরের ২০ লাখ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য এই জেলার মানুষকে ঢাকা, খুলনা বা কলকাতায় দৌড়াতে হয়। এ কারণে অবিলম্বে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন করতে হবে। দাবি জানাচ্ছি।

হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মহিদুর রহমান বলেন, যশোর মেডিকেল কলেজসহ দেশের চারটি মেডিকেল কলেজে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ৫০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের চুক্তি সই হয়। কিন্তু ভারত সরকারের অনিচ্ছার কারণে সম্প্রতি ওই চুক্তি বাতিল হয়েছে। এখন শুধু বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নেই এই হাসপাতাল স্থাপিত হবে। যশোরে অত্যাধুনিক ৫০০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ওই প্রস্তাব একনেকে উত্থাপন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন