রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির প্রথম আলোকে বলেন, দুর্বৃত্তদের ছুরির আঘাতে যুবদলের নেতা বদিউজ্জামানের মৃত্যু হয়েছে। কারা, কী কারণে তাঁকে হত্যা করেছেন, তা তাৎক্ষণিক বলা যাচ্ছে না। দুর্বৃত্তদের আটকের জন্য পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে আছে।

যশোর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সৈয়দ সাবেরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘বদিউজ্জামান অন্য রকম রাজনৈতিক কর্মী। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে।

এলাকার প্রতিটি বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক। তাঁকে কেউ হত্যা করতে পারেন, এটা আমাদের কল্পনায়ও আসেনি।’ দিনদুপুরে একজন রাজনৈতিক নেতাকে এভাবে হত্যা করা আইনশৃঙ্খলার অবনতির শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন