পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কেন্দ্রে ৫০ থেকে ৬০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত সোয়া ১২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

পুলিশ ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এই কেন্দ্রে খাওয়া, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সংকট রয়েছে। এসব সংকট নিয়ে শিশুরা বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ-অনুযোগও করেছে। কিন্তু অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। এর মধ্যে তিন দিন আগে আদালতের মাধ্যমে টঙ্গী থেকে একটি ছেলে এই কেন্দ্রে আসে। সেই ছেলেটি কেন্দ্রে অন্য নিবাসী শিশুদের সংগঠিত করে আজ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙচুর শুরু করে।

ভবনের মূল ফটকে তালা দেওয়া থাকে। তারা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ভেতরে খাট-জানালাসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য অন্তত ৫০ জন পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কেন্দ্রের মাঠে অবস্থান করছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কেন্দ্রে যান। তারা শিশুদের নেতার সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ওই কেন্দ্রে বর্তমানে ৩০০ শিশু অবস্থান করছে। তারা সংগঠিত হয়ে হঠাৎ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাঙচুর চালিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পুলিশ ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সেখানে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা কেন্দ্রে অবস্থান করছি। শিশুরা ভাঙচুর করছে। এতে দুই শিশু আহত হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’