বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধান শিক্ষক সৈয়দা শিরিন সুলতানা বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রথম দিনে তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান করা হয়েছে। প্রথম দিনে তৃতীয় শ্রেণির ২৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৪ এবং পঞ্চম শ্রেণির ১৬০ জনের মধ্যে ১০৪ জন বিদ্যালয়ে এসেছে। অভিভাবকদের কাউকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।’

বিদ্যালয়ের বাইরে টাউন হল মাঠে অভিভাবকদের ব্যাপক ভিড় দেখা গেছে। তাঁরা গাদাগাদি করে পাশাপাশি বসে গল্প করছিলেন। তবে ছিলেন মাস্ক পরে।

এদিকে যশোর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল ও চকলেট তুলে দিয়ে শিক্ষকেরা তাদের বরণ করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে শিক্ষকেরা দাঁড়িয়ে থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল ও চকলেট তুলে দেন। শিক্ষকদের এই ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে শ্রেণিকক্ষে বসে শিক্ষার্থীরা।

যশোর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় সাজানো হয়েছে বেলুন দিয়ে। বিদ্যালয়ের ফটকে দাঁড়িয়ে ছিলেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। অভিভাবকেরা সন্তানদের প্রধান ফটকে পৌঁছে দিয়ে বাইরে অপেক্ষা করেন। মাস্ক পরা শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পৌঁছালে তাদের তাপমাত্রা মাপা হয়। এরপর তাদের সামনে চকলেটের ডালা ধরা হয়। সেখান থেকে তারা চকলেট তুলে নেয়। এ সময় যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

তমিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর স্কুল–কলেজ খুলেছে। সরকারের যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটা মেনেই যশোরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার একেবারেই কম বলে কোনো সমস্যা হবে না।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন