বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুপন কুমার সরকার বলেন, হিজড়া সম্প্রদায়কে পরিচালনা করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার ইচ্ছা ও পূর্ব বিরোধের জেরে হিজড়া নাজমার ভাড়াটে খুনিরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

ডিবির ওসি রুপন কুমার সরকার বলেন, গত শনিবার সকালে লাভলী তাঁর সহকর্মী হিজড়া নাজমা ও হিজড়া সেলিনাকে নিয়ে যশোর শহরের ধর্মতলার ভাড়া বাসা থেকে বের হন। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে করে যশোর-ছুটিপুর সড়ক দিয়ে ঝিকরগাছা উপজেলার ছুটিপুরে দিকে যাচ্ছিলেন তাঁরা। সকাল সাড়ে আটটার দিকে ইজিবাইকটি সদর উপজেলার হালসা এলাকায় সেতুর কাছে পৌঁছালে আসামি শাকিল পারভেজ ও মেহেদী হাসান তাঁদের ইজিবাইকের গতি রোধ করেন।

এরপর নাজমা ও সেলিনাকে ইজিবাইক থেকে নামিয়ে দিয়ে শাকিল ও মেহেদী তাঁদের ব্যবহৃত পিস্তল দিয়ে লাভলীকে গুলি করেন। কিন্তু গুলি বের হয়নি। এরপর শাকিল তাঁর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে লাভলীর মুখমণ্ডলের বিভিন্ন জায়গায় ও গলায় পোচ দেন। পরে তাঁরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। নাজমা ও সেলিনা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ডিবির ওসি জানান, এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে। পুলিশের হেফাজতে থাকা নাজমা ও সেলিনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শাকিল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের আজ সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন