বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা বোর্ডের ১০টি চেক জালিয়াতির মাধ্যমে দুই দফায় মোট ২ কোটি ৬৬ লাখ ৪২ হাজার ২০ টাকা লোপাট করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ টাকা ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং নামের প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শরিফুল ইসলাম লোপাট করেছেন।

শিক্ষা বোর্ডের সচিব এ এম এইচ আলী আর রেজা বলেন, আরেকটি চেক জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডের প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ভেনাস প্রিন্টিং প্রেস অ্যান্ড প্যাকেজিং নামে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা জমা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ–সংক্রান্ত তথ্য ও কাগজপত্র দুদক কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, বোর্ডের সচিব আলী আর রেজা গত রোববার এ বিষয়ে দুদক যশোরের উপপরিচালকের কাছে একটা লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর দুদক অনুসন্ধান করে অভিযোগের সত্যতা পায়। এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন দুদক যশোরের কর্মকর্তারা।

এদিকে শিক্ষা বোর্ডের হিসাব সহকারী আবদুস সালাম আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের দায় স্বীকার করে চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত পত্র দিয়েছেন। লোপাট হওয়া টাকার মধ্যে ১৫ লাখ টাকা তিনি ফেরতও দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে বাকি টাকাও তিনি ফেরত দিতে চান। এরপর গত সোমবার বোর্ডের সর্বোচ্চ সভায় আবদুস সালামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে চেকে স্বাক্ষরকারী বোর্ডের চেয়ারম্যান মোল্লা আমির হোসেন ও সচিব আলী আর রেজা স্বপদে বহাল তবিয়তে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন