বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: দেশসেরা হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

গাজী হাসান কামাল: আমাদের সবার কঠোর পরিশ্রম ছিল। বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা সব সেবা সহজ করেছি। এসএসসি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থীর জন্য গণিত বিষয়টি পাস বা ফেলের নির্ধারক হয়ে যায়। এ বছর গণিত বিষয়টি ছিল না। এ ছাড়া করোনার সময় স্কুল বন্ধ থাকলেও সরকার অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছিল। সবশেষে বলব, ময়মনসিংহ শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত। এর একটি ঐতিহ্যগত প্রভাব রয়েছে। ময়মনসিংহের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সব সময় একটি প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব থাকে। অভিভাবকেরাও সচেতন। সব মিলিয়েই ভালো ফল অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

প্রথম আলো: বিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয় কীভাবে হয়?

গাজী হাসান কামাল: সরকারের সব নির্দেশনা মেনে আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সঙ্গে যুক্ত থাকি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষা কার্যক্রমের বিষয়টি দেখি।

প্রথম আলো: ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সংকটগুলো কী?

গাজী হাসান কামাল: ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড হয়েছে তিন বছরের কিছু বেশি সময়। আমাদের অনেক সংকট হয়েছে। প্রথম সংকট জনবল। করোনার কারণে এই সংকট দীর্ঘায়িত হয়েছে। তবে দ্রুত জনবল নিয়োগের আশা দেখছি। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড এখনো দুটি ভাড়া বাড়িতে চলছে। পরীক্ষার খাতা রাখার জন্য বড় গোডাউন প্রয়োজন। সেটিও আমরা ভাড়ার মাধ্যমে চালাচ্ছি। আমরা ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে নতুন বিভাগীয় শহরে শিক্ষা বোর্ডের জন্য ভবন চেয়েছি।

প্রথম আলো: সামনের দিনগুলোতে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান?

গাজী হাসান কামাল: আমার ইচ্ছা ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করা। ইতিমধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইনে দিচ্ছি। শিক্ষার্থীরা নিজের মতো ডাউনলোড করতে পারছে। পুরো কার্যক্রম ডিজিটাল করতে চাই। মানুষের প্রচলিত ধারণা যে শিক্ষা বোর্ডে খুব ভোগান্তি হয়। প্রচলিত ভোগান্তির ধারণাকে ভেঙে সব সেবা সহজ করে দেব। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার বিষয়ে কাজ করতে চায়। সব মিলিয়ে একটি আধুনিক শিক্ষা বোর্ড করতে চাই আমরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন