কুমিল্লা থেকে নাটোরগামী মোটরসাইকেল চালক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, কুমিল্লাতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। সাহ্‌রি খাওয়ার পর তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। পথে গাজীপুরের ভোগড়া থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত কিছুটা যানজট পেয়েছেন। তবে চন্দ্রার পর কোথাও যানজটে পড়তে হয়নি।

স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে মির্জাপুরের পাকুল্যাতে যাচ্ছিলেন ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) সাদিক হোসেন। পথে গোড়াই উড়াল সড়কে উঠার আগে ছোট ছোট পাথরে পিছলে মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যান। তাঁর ডান হাতের কুনুই থেকে তালু পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ছিলে যায়। স্ত্রীও মাথায় এক পাশে ব্যথা পান। সাদিক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্মানাধীন ফ্লাইওভারে না উঠে নিচ দিয়ে গেলে দুর্ঘটনাটি ঘটত না।’ তিনি দুর্ঘটনার পরও ধীরে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ির দিকে যান।

সোহাগপুর এলাকায় কথা হয় পাবনাগামী সরকার ট্রাভেলসের চালক রজব আলী বিশ্বসের সঙ্গে। তিনি জানান, সকাল ছয়টায় ঢাকার টেকনিক্যাল এলাকা থেকে গাড়ি ছেড়েছেন। রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহন চলায় ধীরে ধীরে গাড়ি চালিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টায় চন্দ্রা পৌঁছান। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এই রাস্তা পার হতে মাত্র এক ঘণ্টা লাগে। তবে চন্দ্রার পর কোথাও যানজট নেই। গোড়াই উড়াল সড়ক চালুর কারণে এ সুবিধা হয়েছে।

মির্জাপুরের ধেরুয়া এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মহাসড়কে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। মহাসড়কের মির্জাপুর অংশে কোথাও যানজট নেই। তবে যানবাহনের চাপ আস্তে আস্তে বাড়ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন