ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুটি খুলে দেওয়ায় মহাসড়কের বানিয়াগাঁতী ও নলকা এলাকার মহাসড়ক অনেকটাই ফাঁকা। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ না থাকায় নেই যানজটও।

তবে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মহাসড়কটিতে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়ে যাবে বলে জানান পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ঢাকা থেকে পাবনাগামী ট্রাকচালক সবুর হোসেন বলেন, মহাসড়কে তিন চাকার যানবাহন চলতে থাকলে যানজটসহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। সে জন্য মহাসড়ক থেকে জরুরিভিত্তিতে এসব তিন চাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে। দু–এক দিনের মধ্যে ঘরমুখী মানুষের স্রোত শুরু হবে। তখন একদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বাড়বে, অন্যদিকে তিন চাকার অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন মহাসড়কে চলাচলের ফলে যানজটের সৃষ্টি হবে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ২৬ এপ্রিল থেকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে কাজ শুরু হবে। তখন এসব তিন চাকার যানবাহন কোনো অবস্থাতেই চলতে দেওয়া হবে না।

২৭ রমজান থেকে ৪৫০ জন পুলিশ সদস্য মহাসড়কে কাজ করবে জানিয়ে জেলার পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে জেলার মহাসড়কে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন