default-image

যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা আরও ১৬৩ যাত্রীকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে যুক্তরাজ্যের হিথ্রো থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাঁরা সিলেট আন্তর্জাতিক ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এর মধ্যে ১৫৮ জনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে এবং ৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

বিমানবন্দর ও সিলেট মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা ১৫৮ যাত্রীকে বাধ্যতামূলক ৭ দিনের কোয়ারেন্টিনের জন্য নির্ধারিত হোটেলগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৫৮ জনের মধ্যে ব্রিটানিয়া হোটেলে ৩৮ জন, অনুরাগ হোটেলে ২৬ জন, নূরজাহান হোটেলে ৮ জন, হলিগেট হোটেলে ৩৩ জন, হলি সাইড হোটেলে ৬ জন, স্টার প্যাসিফিক হোটেলে ১২ জন, লা রোজ হোটেলে ১৫ জন, লা ভিস্তা হোটেলে ১০ জন, রেইনবো গেস্ট হাউসে ১০ জনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

যুক্তরাজ্য থেকে এই ১৬৩ জন আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এর মধ্যে ১৫৮ জনকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে এবং ৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্য থেকে এই ১৬৩ জন আজ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। পরে সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে বিআরটিসির বাসযোগে তাঁদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

এর আগে চলতি মাসে দুই দফায় ৮ মার্চ ১৬১ জন ও ১১ মার্চ ১৪৭ জন যাত্রী যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসেন। তাঁদেরকেও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) আশরাফ উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা ১৬৩ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। ১৫৮ জনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর থেকে নির্ধারিত হোটেলগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন