default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগের মিছিলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জেলা শহরের মৌলভীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলা যুবলীগের শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ মিজান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী আলম। তাঁরা সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলী আজম ভূঁইয়ার কর্মী–সমর্থক। তাঁদের মধ্যে আহত মনির আলী আজমের চাচাতো ভাই।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান, যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে জেলা যুবলীগের সভাপতি শাহনুর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সাংসদ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। সেই সভায় যুবলীগের মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলী আজম ও সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের মধ্যে কয়েক দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। দুজনই সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী। গত সেপ্টেম্বর মাসে দ্য আলাউদ্দিন সংগীতাঙ্গনে জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির সঙ্গে বসে যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছবি তোলেন। অতিথির আসনে বসার একটি ছবিতে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলী আজমের মুখটি ঢেকে ওই ফেসবুকে পোস্ট করেন নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রুস্তম ইউনুছ। এটি নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হতে শুরু করে। সেই ঘটনা নিয়ে এ সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলী আজম বলেন, ‘মিছিলে হামলা চালিয়ে আমার চাচাতো ভাইসহ বাকিদের মারধর করা হয়েছে।’

উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘মিছিলে ছবি তোলা নিয়ে একই গ্রামের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসবের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

মন্তব্য পড়ুন 0