বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘৮ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় অস্ত্রধারীরা ধরা পড়ে না’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সচিত্র এই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৩ জুন চাক্তাই রাজাখালী বিশ্বরোড এলাকায় ট্রাকস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর জেরে ৩৫ নম্বর বকশিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা পরিচয় দানকারী মহিউদ্দিন জনিকে অস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষ মো. সায়েমকে শাসাতে দেখা গেছে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজে। এই ঘটনায়ও মামলা হয়নি। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি সিটি নির্বাচনের দিনও রাজাখালী ফায়ার সার্ভিসের সামনে নির্বাচনী প্রতিপক্ষকে অস্ত্র হাতে তাড়া করতে দেখা যায় মহিউদ্দিন জনিকে। ওই ভিডিওটিও ছড়িয়ে পড়ে।

লে. কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল প্রথম আলোকে বলেন, মহিউদ্দিন জনির প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ভিডিও এবং ছবি প্রকাশের পর র‌্যাব অভিযানে নামে। এ ছাড়া আসামি অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তানজিরুল হক চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ীকে ২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পায়ে গুলি করে আলোচনায় আসেন মহিউদ্দিন জনি। এই ঘটনায় তাঁকে আসামি করে ব্যবসায়ীর করা মামলায় পুলিশ অভিযোগপত্র দেয়।

বর্তমানে মামলাটির বিচার চলছে। এ ছাড়া ২০১৯ সালের ২৯ আগস্ট চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তাঁতী লীগের এক অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষকে তাড়া করতে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

নগরের চাক্তাই রাজাখালী এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কথায় কথায় প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহিউদ্দিন লোকজনকে শাসালেও ভয়ে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে না। রাজাখালী ও আশপাশের এলাকায় চলে তাঁর রাজত্ব।
বকশিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মান্না বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, মহিউদ্দিন যুবলীগের কেউ নন। দলের নাম ভাঙানোর কারণে এর আগে তাঁকে সতর্ক করা হয়েছিল।

দলের কোনো পদে না থাকলেও বকশিরহাট ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত মহিউদ্দিন জনি। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহিউদ্দিন জনি গ্রেপ্তার হয়েছে শুনেছি। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো সম্পক নেই।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন