বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছরের জুনে ব্যবসা করার জন্য আবার দুই লাখ টাকা চান মাসুদ। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাকিয়াকে দুই লাখ টাকা ভাইয়ের কাছ থেকে এনে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এতে জাকিয়া অস্বীকৃতি জানালে মাসুদ কোমরের বেল্ট ও বাঁশের লাঠি দিয়ে তাঁকে বেদম পেটান। একপর্যায়ে জাকিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জাকিয়ার ভাই আজিজুল ইসলাম মুঠোফোনে ঘটনাটি জেনে ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আজ বৃহস্পতিবার তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জাকিয়া তীব্র ব্যথায় কাতরাচ্ছেন। তাঁর সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন। থেমে থেমে তিনি কাঁদছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কথায় কথায় মোর শাশুড়ি মোর সঙ্গে ঝগড়া করে। মোর স্বামী মোর শ্বাশুড়ির কথা শুনি মোক প্রায় দিনই মারে। মারবার সময় কয়, তুই ফকিরানির ছাওয়া। অন্যটে বিয়াও করলে মুই (স্বামী) মেলায় টাকা পানু হয়। তোক বিয়াও করি মুই ভুল করছু। তোর ভাইয়ের কাছ থাকি দুই লাখ টাকা আনি দে। ওই টাকা না আনায় মোর স্বামী আর শাশুড়ি বুধবার সকালে মোক খুব মাইর ডাং করছে। ওমার ডাংগোত মোর জ্ঞান হারে গেইছলো।’

জানতে চাইলে মুঠোফোনে মাসুদ রানা বলেন, ‘ভাই, আমার স্ত্রী কোনো কথা শোনে না। সংসারের উন্নতি চায় না। কথায় কথায় তর্ক করে। মাথা ঠিক আছলো না, ওই জন্যে আনা মারছুং।’

তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহাদাত রহমান বলেন, জাকিয়ার সারা শরীরে আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন