বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত সিআইডি কর্মকর্তা আবদুল আখের। একই আদালত থেকে এর আগে জামিনে ছিলেন তিনি। রায় ঘোষণার পর জামিন বাতিল করে আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক সাজা ভোগের জন্য আবদুল আখেরকে লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবদুল আখের কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নাখারগঞ্জ আজমাতা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। ২০১৫ সালের ১৭ এপ্রিল লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের কর্ণপুর গ্রামের আকবর ঈমানের মেয়ে শারমিন আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে তিনি পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবি করে আসছিলেন। এ জন্য স্ত্রীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

একপর্যায়ে ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে একটি নালিশি পিটিশন মামলা করেন শারমিন। এতে স্বামী আবদুল আখেরসহ তিনজনকে আসামি করেন। আদালত আবদুল আখেরকে অভিযুক্ত করেন, অন্যদের অব্যাহতি দেন। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাদী পক্ষ। আর আসামি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

রায়ের বিষয়টি জেনেছেন বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন ও জেলা সিআইডির পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতাউর রহমান। তিনি বলেন, আবদুল আখেরকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত সাজা দেওয়ার বিষয়টি সিআইডি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখন সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে। ইতিমধ্যে আবদুল আখেরকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর সিআইডি পুলিশের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন