বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে বলা হয়েছে, ছাগলনাইয়া উপজেলার পশ্চিম পাঠানগড় গ্রামের আবদুল কাদেরের সঙ্গে একই এলাকার আবু তারার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আবু তারার কাছে যৌতুক দাবি করেন কাদের ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। যৌতুক না পেয়ে প্রায়ই নির্যাতন করা হতো তাঁকে। ২০০০ সালের ২৩ জুলাই তারার পরিবারের কাছে ৩০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন কাদের। তবে দরিদ্র পরিবারটি যৌতুক দিতে তাদের অপারগতার কথা জানান। ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল আবু তারাকে বেধড়ক মারধর করেন কাদের ও তাঁর পরিবারের লোকজন। সে রাতেই ওই গৃহবধূ মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর বাবা মোহাম্মদ আলী ছাগলনাইয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সে বছরের ৩১ জুলাই তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ছাগলনাইয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান। আদালতে মামলা চলাকালে শরিফা খাতুন ও আমেনা খাতুন নামের দুই আসামি মারা যান।

ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের জ্যেষ্ঠ সহকারী সরকারি কৌঁসুলি ফরিদ আহমেদ হাজারী প্রথম আলোকে বলেন, পলাতক আসামি স্বামী আবদুল কাদের যখন গ্রেপ্তার হবেন বা আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, তখন তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন