আজ রংপুর নগরের কামারপাড়া ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে সরেজমিনে দেখা যায়, বাসগুলো টার্মিনালে সারি করে রাখা হয়েছে। বাসের কাউন্টারগুলো খোলা থাকলেও কোনো টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। অগ্রিম টিকিট নেওয়া অনেক যাত্রীকে কাউন্টারে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে। নাবিল, এনা ও শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাস চললেও প্রয়োজনের তুলনায় টিকিট কম। তাই যে যাত্রীদের ঢাকা যাওয়া খুব প্রয়োজন, তাঁরা বিকল্প উপায়ে বা ভেঙে ভেঙে ঢাকায় যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

হানিফ পরিবহনে ঢাকায় যাওয়ার জন্য আবদুর রাজ্জাক নামের এক যাত্রী বাসস্ট্যান্ডে এসেছিলেন। তবে বাস না পেয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘শুনেছি বাস বন্ধ। এরপরও ভাবছিলাম যে হয়তো গাড়ি চালু হয়ে যাবে। কিন্তু এসে দেখি, একেবারেই বন্ধ। উপায় না পেয়ে ফিরে যাচ্ছি।’

default-image

আরেক যাত্রী ফারুক হোসেন বলেন, জরুরি প্রয়োজনে ঢাকায় যেতেই হবে। যে তিনটি বাস চলছে, সেগুলোর কোনোটিতেই টিকিট নেই। এরপরও বিকল্প উপায়ে ঢাকায় যাওয়া যায় কি না, তিনি সেই চেষ্টা করছেন।

কর্মবিরতিতে যাওয়া হানিফ পরিবহনের ব্যবস্থাপক হোসেন আলী বলেন, এখনো গাড়ি চালু হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে গতকাল রাতে ঢাকায় মালিক-শ্রমিকদের বৈঠক হয়েছে। বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সেটা এখনো জানানো হয়নি।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের রংপুর বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ দাবি করেন, পরিবহন বন্ধ থাকার বিষয়টি তাঁদের জানা নেই। তবে ঈদের আগে গাড়ি বন্ধ হলে যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন