বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাইকারি ব্যবসায়ী বণিক ব্রাদার্সের মালিক সুশান্ত বণিক বলেন, ‘আমাদের কাছ থেকে রংপুর ও এর আশপাশের এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা তেল কিনে নিয়ে যায়। গ্রাম, শহরের পাড়ামহল্লায় বিক্রি করেন। খোলা তেলের গ্রাহক অনেক বেশি। এখন ব্যবসায়ীরা তেল নিতে আসছেন, কিন্তু তেল না থাকায় তাঁদের ফিরে যেতে হচ্ছে। এ ছাড়া অনেক ব্যবসায়ী বারবার ফোনে খবর নিচ্ছেন তেল পাওয়া যাবে কি না।’

দুপুরে সিটি বাজারে দেখা যায়, সেখানেও কোনো খোলা সয়াবিন তেল নেই। তবে কিছু কিছু দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে। একেক দোকানে একেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে। ৫০০ গ্রামের বোতলজাত তেল ১০০-১১০ টাকা, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২১০ টাকা, দুই লিটার ৩৯৮-৪১০ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেলের দাম ৯৮০-১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

সিটি বাজারে আলাল স্টোরের মালিক আলাল মিয়া বলেন, খোলা তেল বিক্রি করলেও এখন ফুরিয়ে গেছে। সামান্য বোতলজাত তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তা–ও কখন জানি শেষ হয়ে যায়।

একই বাজারের হারুন স্টোরেও খোলা সয়াবিন তেল নেই। এই দোকানের মালিক হারুন রশিদ বলেন, অল্প কিছু বোতলজাত তেল আছে। কিন্তু যেভাবে ক্রেতা আসছে, তাতে করে খুব কম সময়ের মধ্যে এক, দুই ও পাঁচ লিটারের বোতলজাত তেল শেষ হয়ে যাবে।

মনিরুজ্জামান স্টোরের মালিক মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমার দোকানে শুধু ৫০০ গ্রামের বোতলজাত তেল রয়েছে। বাকি সব তেল এরই মধ্যে বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। কবে যে তেল পাব, তা–ও ঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না।’

বোতলজাত সয়াবিন তেলের নবাবগঞ্জ পাইকারি বাজারে গিয়ে জানা গেল, বড় তিনটি পাইকারি দোকান বিপ্লব স্টোর, সায়িদ ট্রেডার্স, বাবলু স্টোরে কোনো তেল নেই। পাইকারিভাবে বোতলজাত তেল মাত্র দুটি দোকানে বিক্রির খোঁজ পাওয়া যায়। দোকান দুটি হলো ঘোষ ভান্ডার ও বিউটি স্টোর।

শহরের রাধাবল্লভ এলাকার বাসিন্দা রোকুনুজ্জামান বলেন, ৪১৩ টাকায় দুই লিটার তেল কিনেছেন সিটি বাজার থেকে। অথচ বোতলের গায়ে দাম আরও কম লেখা। রান্নার কাজে তেল তো লাগবেই। তাই বাধ্য হয়ে কিনতে হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন