বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দগ্ধ সামসুন্নাহারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী অধ্যাপক এম এ হামিদ বলেন, গত দুই দিনে কোনো নতুন দগ্ধ রোগী ভর্তি হননি, বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২২ জন। তাঁদের শরীরের ২০ থেকে ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

কনকনে শীতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে গিয়ে ২২ জন দগ্ধ এখনো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। দুই সপ্তাহের মধ্যে রংপুর ও বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় এসব অগ্নিদগ্ধের ঘটনা ঘটে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন