বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শহরের বেতপট্টি, কেরানীপাড়া চৌরাস্তা মোড় ও ধাপ শিমুলবাগ এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা আগের থেকে অনেক কমে গেছে। শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড গরমের কারণে মাঠে কাজ করতে গেলে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যাচ্ছে না। তারপরও অনেকেই কাজ করছেন, অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। তাই খেটে খাওয়া মানুষ অনেকে কাজে আসছেন না, বাড়িতে বসে কাটাচ্ছেন।

default-image

শহরের কেরানীপাড়া এলাকায় ডালি-খন্তা নিয়ে বসে ছিলেন ১০ থেকে ১২ জন শ্রমজীবী মানুষ। অন্যান্য দিন এ সময় এখানে আরও অনেক মানুষের সমাগম থাকে। কষ্ট হলেও কাজের সন্ধানে ছুটে আসা সাতগাড়ার বাসিন্দা নূরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই ঘণ্টা থাকি বসি আছি। কোনো কাম পাই নাই।’ সাঈদুল ইসলাম নামের অন্য একজন শ্রমিক বলেন, ‘রাস্তার পাশে মাটি কাটার কাজ আসছিল। কিন্তু এই রোদোত কামোত যাই নাই। এ্যাটে বসি থাকতে থাকতে খালি পানির পিপাসা লাগেছে। তাই চিন্তা করছি আইজ আর কাজ করমো না।’

default-image

এই গরমে রিকশা, ভ্যান ও দিনমজুরেরা ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় দিন শেষে তাঁদের আয়রোজগারও কমে হচ্ছে। শহরের জিলা স্কুল মোড়ে আলমগীর হোসেন নামের এক রিকশাচালক বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, রোদের দিকে তাকানো যায় না। একটানা রিকশা চালালে শরীর থেকে অনবরত ঘাম ঝরে। তাই বিশ্রাম না নিলে খুব কষ্ট হবে। এতে অবশ্য দিনের আয়রোজগারও কমে যাবে, কিন্তু কিছু করার নেই।

এদিকে খেতে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের অনেককেই ছাতার নিচে কাজ করতে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে স্কুলগামী অধিকাংশ ছেলেমেয়ে ও তাদের অভিভাবকদের হাতেও ছাতা দেখা গেছে। রংপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক সরওয়ার জাহান বলেন, রোদের তাপ ও অসহ্য গরমে মানুষের শরীর থেকে পানি ঝরছে। তাই বেশি বেশি করে পানি খতে হবে। এ ছাড়া স্যালাইন পানি খাওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন