বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে রংপুর মেডিকেল মোড়ে কথা হয় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। তাঁদের অধিকাংশই সৈয়দপুর থেকে রংপুরে এসেছেন। তাঁরা জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রথমে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসেছেন। এরপর সেখান থেকে রংপুরে আসতে ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায়। এত দূরের পথে তিনবার অটোরিকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে তাঁদের।

রফিকুল ইসলাম নামের এক চাকরিজীবী বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় বাড়ি গিয়েছিলাম। এখন কর্মস্থলে ফিরতে তো হবেই, তাই ট্রেনে এসেছি। সারা রাত ট্রেন জার্নি করে এসে অটোরিকশায় রংপুরে আসতে হলো। তা–ও আবার তিনবার অটো পরিবর্তন করতে হয়েছে।’

রংপুর মেডিকেল মোড় থেকে অটোরিকশায় দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও নীলফামারীর মতো জেলা শহরে যাচ্ছেন যাত্রীরা। একইভাবে শহরের সাতমাথা এলাকায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম এবং শহরে মডার্ন মোড়ে গাইবান্ধা, বগুড়া, ঢাকাসহ আরও অনেক এলাকায় অটোরিকশায় চেপে ভেঙে ভেঙে জরুরি কাজে যাত্রীরা ছুটছেন।

default-image

রংপুর শহরের মডার্ন মোড়ে যাত্রীদের ডাকছেন অটোরিকশার চালকেরা। ভুক্তভোগী মানুষ যেন অসহায়। কেউ যাবেন গাইবান্ধা, কেউবা বগুড়া, আবার কেউ কেউ ঢাকা কীভাবে যাওয়া যায়, এ জন্যও এখানে ছুটে এসেছেন। তবে পরিবহন হিসেবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছাড়া আর কিছু নেই।

আবু বক্কর সিদ্দিক নামের এক ব্যক্তি জানান, ‘অটোরিকশা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না। জরুরি প্রয়োজনে যেতেই হবে, তাই এসেছি। তবে গাইবান্ধা যেতে চারবার অটো পরিবর্তন করতে হবে। এতে খরচের পাশাপাশি সময়ও বেশি লাগবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন