বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মহাসড়কের দর্শনা এলাকা, সিওবাজারসহ আরও কিছু এলাকায় দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস-ট্রাক হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। তবে গাড়ির গতি খুবই কম ছিল। সতর্কতা নিয়ে অনেকটা দেখে দেখে চলাচল করেছে গাড়িগুলো। মেডিকেল মোড়ে পঞ্চগড়গামী একটি বাসের চালক ওমর ফারুক বলেন, এই ঘন কুয়াশায় গাড়ি চালানো খুব কষ্টকর। তবে আস্তে আস্তে গাড়ি চালিয়ে যেতে হবে। পঞ্চগড় যেতে যেখানে আড়াই ঘণ্টা লাগার কথা, সেখানে হয়তো অনেক বেশি সময় লাগবে।

নগরের নজিরের হাট ও বুড়িরহাট সড়কে দেখা যায়, রাস্তার এক পাশ দিয়ে কুয়াশার মধ্যে বাইসাইকেলে চড়ে দোকান কর্মচারীরা ছুটে যাচ্ছেন তাঁদের কর্মস্থলে। এ সময় কথা হয় লাহিড়ীরহাট এলাকার নৃপেন রায়ের সঙ্গে। তিনি জানালেন, ‘অন্য দিনের থেকে আইজ (আজ) অনেক বেশি খুয়াশা পড়ছে। সামনোত কিছুই দেখা যায় না।’

এদিকে আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আসিফ রায়হান বলেন, রংপুরে গতকাল শুক্রবার রাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমালয়ের ঠান্ডা বাতাস রয়েছে। এ কারণে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন