বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই পাঁচ প্রকৌশলী হলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রংপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আখতার হোসেন (বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত), এলজিইডি রংপুর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী কাওছার আলম, একই কার্যালয়ের সাবেক উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ফিরোজ আখতার, সদর উপজেলা প্রকৌশলী শামসুল আরেফীন খান ও সাবেক সহকারী প্রকৌশলী সৌরভ কুমার সাহা।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, এলজিইডি রংপুরের আওতায় ৪ কোটি ২৬ লাখ ও ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে দুটি প্যাকেজে মোট ৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার দরপত্র ডাকা হয়। ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি এবং একই বছরের ৪ মার্চ দরপত্র জমা দেন রংপুর নগরের নিউ ইঞ্জিনিয়ারপাড়ার বাসিন্দা ঠিকাদার রবিউল আলম বুলবুল।

দরপত্র দুটি গ্রহণ ও অনুমোদন করার পরও নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) না দিয়ে রবিউল আলম বুলবুলের কাছে মোট কাজের (৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা) ২ শতাংশ হারে ঘুষ দাবি করেন দুই প্রকৌশলী আখতার হোসেন ও কাওছার আলম। এ অবস্থায় ঠিকাদার রবিউল ঘুষ না দেওয়ায় তাঁকে নিষ্ক্রিয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়ার পরও তাঁকে কাজ না দিয়ে অন্য একজনকে কাজ দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় রবিউল আলম বাদী হয়ে রংপুরের বিশেষ জজ আদালতে আখতার হোসেন ও কাওছার আলমকে আসামি করে ২০১৯ সালের ৭ মে মামলা করেন। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক সমন্বিত রংপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে মামলার দুই আসামি ছাড়াও আরও তিনজন প্রকৌশলীসহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়।

আইনজীবী এ কে এম হারুন-উর রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, এই মামলার আজ অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তাঁরা সবাই আজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আগামী বছরের ২৫ জানুয়ারি সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন