বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, রংপুর সদর, মিঠাপুকুর ও তারাগঞ্জ—এই তিন উপজেলায় কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে লটারি করে ধান ক্রয় করা হয়েছে। বাকি এলাকায় কৃষকেরা গুদামে গিয়ে ধান বিক্রি করেছেন। বড় কৃষকের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৩ টন, মাঝারি কৃষকের মধ্য থেকে ২ টন ও ক্ষুদ্র কৃষকের কাছ থেকে ১ টন করে ধান কেনা হয়।

সদর উপজেলা মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম বলেন, এবার বরাদ্দের পাশাপাশি আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে মিলাররা চাল দিয়েছে। সরকার চালের মূল্য ভালো দেওয়ায় চুক্তিভুক্ত মিলাররা উৎসাহের সঙ্গে চাল দিয়েছে। তবে বোরো মৌসুমে ধানের বাজারদর সরকারি দরের থেকে বেশি থাকায় কৃষকদের আগ্রহ কম ছিল।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুল কাদের বলেন, করোনা মহামারিতে বিধিনিষেধ চলায় সময় খাদ্য অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে কাজ করায় ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান সফল হয়েছে। ধান সংগ্রহ করা হয় মূলত কৃষকদের কাছে থেকে। ক্রয় অভিযানের সময় ধানের বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকায় কৃষকেরা ধান দিতে আগ্রহী ছিলেন না। তাই ধানের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন