default-image

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার সারাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম নাজমুল হক (৪৫)। তাঁর বাড়ি উপজেলার সৎবাজার এলাকায়। তবে তিনি চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন আবদুল বারী ভেল্লু, তাঁর স্ত্রী স্বপ্না, দুই ছেলে রিপন ও লিয়ন।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হারাগাছ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যানপাড়ার সারাই জুম্মাপাড়া জামে মসজিদের কমিটি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মসজিদের উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন কমিটির সদস্য আব্দুল বারী ভেল্লুর (৫০) সঙ্গে পুরোনো কমিটির সদস্য নুর আলমের ভাই দয়াল আলমের বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। রাত ৮টার দিকে আবদুল বারীর দুই ছেলে রিপন, লিয়নসহ কয়েকজন মিলে দয়াল ও তাঁর পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালান। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে নাজমুল হক, নূর আলম ও দয়াল আহত হন। স্থানীয় লোকজন নাজমুল ও দয়ালকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজমুল মারা যান। আহত নূর আলমকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন