বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর্মীদের চারটি দল করোনার টিকা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছে। সুরক্ষার অ্যাপের মাধ্যমে মুঠোফোন নম্বর দিয়ে অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে তাৎক্ষণিক নিবন্ধন করে সেখানে টিকা দেওয়া হচ্ছে। অনলাইনে টিকার নিবন্ধন কিংবা খুদে বার্তার অপেক্ষায় থাকতে হয় না বলে মানুষ আগ্রহ নিয়ে টিকা নিতে আসছেন। এ কর্মসূচির কারণে রংপুর সিটি এলাকার বাইরের বাসিন্দারাও এসে টিকা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

গতকাল রোববার বিকেলে নগরের পূর্ব খাসবাগ এলাকায় টিকা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মী সুজন ইসলাম বলেন, তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে জনগণকে টিকা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। তাঁদের এ কার্যক্রমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া খুব সহজ হওয়ায় মানুষ নিজ ইচ্ছায় এসে টিকা দিচ্ছেন। আর মানুষের মুখে মুখে প্রচার হওয়ায় তাঁরা কোনো এলাকায় গেলেই মানুষ টিকা নেওয়ার জন্য ভিড় করছেন।

আঁখি বেগম বলেন, ‘নানা সমস্যা থাকার কারণে প্রথম ডোজ টিকা নেওয়া হয়নি। এবার যখন বাড়ি আসিয়া টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিছে। তাতে করে আর সুযোগ হাতচাড়া করলাম না।’

default-image

প্রথম ডোজের টিকা নেওয়া রেজোয়ানা বেগম ও নুরুন্নবী জানালেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের সমস্যার কারণে এত দিন টিকা নিতে পারেননি। তবে এবার সিটি করপোরেশনের লোকজন বাড়ির সামনে এসে কোনো ঝামেলাই ছাড়াই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তাজ প্রথম আলোকে বলেন, বাড়ির কাছে টিকাকেন্দ্র না থাকায় অনেকে টিকা নেননি। আবার খুদে বার্তা না পাওয়া অথবা জাতীয় পরিচয়পত্রের সমস্যার কারণে অনেকেই এখনো প্রথম ডোজের টিকা নেননি। প্রথম ডোজের টিকা থেকে কেউ যেন বাদ না পড়েন, সেজন্য পাড়া-মহল্লায় ভ্রাম্যমাণ দল পাঠানো হচ্ছে। এতে ব্যাপক সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে।

কামরুজ্জামান তাজ জানান, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে তাঁরা ৬ হাজার ১৭৩ জনকে প্রথম ডোজের টিকা দিয়েছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা নিজেদের উদ্যোগে এই টিকাদান কার্যক্রমের ব্যাপারে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সামনে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন