মামলার আবেদনে যৌতুকের জন্য শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানান সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার রফিক হাসনাইন। তিনি বলেন, বাদী রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে নালিশি মামলার আবেদন করেন। আগামী ৯ মে পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন বিচারক দেবাংশু কুমার সরকার (৩২), তাঁর বাবা সুধাংশু কুমার সরকার (৬০), ফুপাত ভাই নিলয় দে সরকার (২৭) ও চাচা রঞ্জন সরকার (৫)। সবার ঠিকানা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১১ মে চিকিৎসক হৃদিতা সরকারের সঙ্গে বিচারক দেবাংশু কুমার সরকারের বিয়ে হয়। বিয়ের আসরেই ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন দেবাংশু ও তাঁর পরিবারের লোকজন। তাৎক্ষণিক বিয়ে ভাঙার উপক্রম হয়। তবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই নতুন গাড়ি কেনার জন্য আবারও যৌতুক দাবি করে নানা ধরনের চাপ দিতে থাকেন দেবাংশু। এর জেরে বিভিন্ন সময় হৃদিতাকে নির্যাতন করে আসছিলেন তিনি।

এরপর হৃদিতা তাঁর বাবার বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে অবস্থান করেন। এরই মধ্যে হৃদিতা জানতে পারেন দেবাংশু কুমার দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। বিষয়টি প্রধান বিচারপতি, সচিব ও আইন মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে জানানো হয়। ১৭ এপ্রিল কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন