বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে টিকা নিতে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় থেকে নারীদের সংখ্যা বেশি ছিল। টিকাদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকাপ্রত্যাশীদের ভিড় আরও বাড়তে থাকে। দুপুর ১২টায় ঝুম বৃষ্টি নামে। ফলে লাইন ছেড়ে লোকজন এদিক-সেদিক ছুটাছুটি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি থেমে গেলে আবার লাইন ধরার জন্য হুড়োহুড়ি দেখা যায়।

শহরের নীলকণ্ঠ এলাকার শাহনাজ আক্তার (৪৫) বলেন, ‘সকাল সকাল আসিয়াও লাভ হইল না। বৃষ্টির জন্য লাইন ভাঙি গেল। ফির আসিয়া লাইন ধরবার গেইলে পিছি পড়ছি। কায় জানবে যে রোদের মধ্যে বৃষ্টি আসবে।’

default-image

এদিকে শহরের হনুমানতলা এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম (৫০) বলেন, ‘বাড়িত অনেক কাজ ছাড়ি আসছি টিকা দিবার। মনে করছি ভিড় কম হইবে। দেখি প্রত্যেক দিন খালি ভিড় বাড়তে থাকে। আইজ যত কষ্টই হোক টিকা দিয়া বাড়ি যাব।’

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তাজ প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম ডোজের সিনোফার্মের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই কেন্দ্রে শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিনই টিকা দেওয়া অব্যাহত থাকবে। শহরে মাইকযোগে প্রচার চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররাও নিজ উদ্যোগে প্রচার করেছেন।

এদিকে প্রথম ডোজের এই টিকা ছাড়াও রংপুর মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে মডার্নার দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন