বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ট্যানারির মালিকদের কাছে বকেয়া টাকা তুলতে না পারা ও ঋণ না পেয়ে পুঁজির সংকট। ফলে এ শিল্পকে বাঁচাতে হলে সরকারিভাবে চামড়া কেনাবেচায় নীতিমালা তৈরি, চামড়াশিল্পে ঋণের ব্যবস্থা করাসহ কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে সরকারকে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি তাঁদের।

রংপুর অঞ্চলে চামড়া কেনাবেচার সবচেয়ে বড় হাট বসে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীর কালীবাড়ীতে। সপ্তাহে দুদিন, অর্থাৎ শনি ও বুধবার হাটটি বসে। হাজীপাড়া চামড়াপট্টি থেকে ব্যবসায়ীরা চামড়া নিয়ে সেখানে যান। এ ছাড়াও লালমনিরহাটের বড়বাড়ি, চাঁপারহাটে ব্যবসায়ীরা চামড়া কেনাবেচা করেন।

একরামুল হক নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ট্যানারির প্রতিনিধিরা চামড়া কিনতে না এলে দাম বাড়ার কোনো সুযোগ থাকে না। মালিকদের নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রি করতে হয়। ফলে কম দামে বিক্রি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

আগে এ অঞ্চলের হাটগুলোতে রিলায়েন্স, বিএলসি, আর কে লেদার, আজমেরী লেদার, পান্না লেদার, মুক্তা, মুক্তি ট্যানারিসহ বিভিন্ন ট্যানারির প্রতিনিধিরা আসতেন বলে জানান একরামুল। এখন তাঁদের আনাগোনা নেই বললেই চলে। যাঁরা হাটে আসেন, তাঁদের মধ্যে আবার সিন্ডিকেট থাকে।

রংপুর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল লতিফ খান বলেন, বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই শতাধিক ট্যানারির মধ্যে এখন হাতে গোনা ১৫ থেকে ২০টি চালু আছে। কেউ চামড়া কিনে লোকসানের বোঝা ভারী করতে চাইছেন না। তবে এরপরও কিছু চামড়া কেনা হবে এবারের ঈদে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন