বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শহরে স্বাভাবিকভাবে দিনমজুরি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা হলেও আজ দামে অনেকটা ভাটা পড়েছে। এ কারণে মজুরি অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে দিনমজুরেরা জানিয়েছেন।

‘শীতোত হামার দাম কমি যায়। গ্রামের জমিজমা, শহরের বাসাবাড়িত কাজকাম কম। মানুষজন কামোত নিবার চায় না।’ রংপুর নগরের কেরানীপাড়া চারমাথা মোড়ে কাজের সন্ধানে আসা সাদেকুল ইসলাম নামের একজন দিনমজুর আক্ষেপ করে বলছিলেন এসব কথা।

প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায়। তবে আজ অর্ধেক মজুরিও পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবছর শীতের সময় মজুরি কমে যায়।
মোকাররম হোসেন, শ্রমজীবী

শুধু সাদেকুল নয়, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির কারণে এ ধরনের আক্ষেপের কথা অনেক দিনমজুরের মুখেই শোনা যায়। আজ সকালে নগরের দিনমজুরির বেচাকেনার স্থান ঘুরেও এমন চিত্র দেখা গেছে।

রংপুর নগরের সাতটি স্থানে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে দিনমজুরেরা সমবেত হন। সেখান থেকে শহরের মানুষ কাজের ধরন ও দরদাম ঠিক করে তাঁদের কাজে নিয়ে যান। এই সাত স্থান হলো শাপলা চত্বর, ধাপ শিমুলবাগ, কেরানীপাড়া, বেতপট্টি, বাসটার্মিনাল, লালবাগ ও সাতমাথা।

বিরূপ আবহাওয়ার পরও শহরের ধাপ শিমুলবাগ এলাকায় দিনমজুরেরা প্রতিদিনের মতো আজও জড়ো হয়েছেন কাজের সন্ধানে। নগরের ধাপ চিকলিভাটা এলাকার দিনমজুর আলম মিয়া মাটি কাটার কাজ করেন। তিনি বলেন, অন্য দিন কাজ পেতে অসুবিধা হয় না। কিন্তু আজ আকাশটা খারাপ হওয়ায় কাজ পাচ্ছেন না। আর পেলেও কম মজুরিতে কাজ নিতে হবে।

বেতপট্টি এলাকায় শ্রম বেচাকেনার স্থানে নগরীর কুকরুল এলাকার বাসিন্দা মোকাররম হোসেন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বসে থাকলেও কাজ জোটেনি। তিনি বলেন, প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায়। তবে আজ অর্ধেক মজুরিও পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবছর শীতের সময় তাঁদের মজুরি কমে যায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন