ভারত ভ্রমণে ইচ্ছুক নগরের ধাপ এলাকার বাসিন্দা রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘এরই মধ্যে ভিসা সম্পন্ন হয়েছে। ভাবছি দু-তিন দিনের মধ্যে যাব। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, করোনার নমুনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট প্রয়োজন। বাড়ির কাছে রংপুর মেডিকেল থাকার পরও দিনাজপুর মেডিকেলে যেতে হবে।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তাজ প্রথম আলোকে বলেন, করোনা শনাক্তের জন্য শুধু র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু এখানে কোনো সনদ দেওয়া হয় না। শুধু রোগীকে শনাক্ত করতেই জরুরি ভিত্তিতে এই অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হয়। আগে সিটির পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হলেও বর্তমানে রংপুর মেডিকেলের যন্ত্র নষ্ট থাকায় তা সম্ভব হয়ে উঠছে না। তাই জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন দিনাজপুর ও বগুড়া মেডিকেলে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি খন্দকার ফখরুল আনাম বলেন, এক মাসের বেশি সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পিসিআর যন্ত্রটি নষ্ট হলেও তা ভালো হচ্ছে না। এটি দুঃখজনক ব্যাপার। কেননা, জরুরি প্রয়োজনে নমুনা পরীক্ষার সনদ প্রয়োজন হয়ে উঠেছে অনেকের। তাই যত দ্রুত সম্ভব যন্ত্রটি মেরামত করার দাবি জানান ফখরুল।

রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বিমল চন্দ্র রায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘যন্ত্রটি মেরামত করতে অনেক টাকার প্রয়োজন। আমরা বেশ কিছুদিন আগে লিখিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি। সেখান থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, নতুন একটি পিসিআর যন্ত্র দেওয়া হবে। তবে কবে নাগাদ পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন